তিনটি কবিতা
১. প্রার্থনার ছদ্মবেশী, কেবল ঘূর্ননশীল শ্বেতপদ্ম নয়। নামগুলো ভুলে গিয়ে তো জড়িয়ে ধরা যায়। প্রিয়নামের মতো নিদ্রালিপি আরে, হাত ফসকে পালিয়েই গেলো যে দিন! ২. সে হচ্ছে নিদ্রিতপক্ষ এসো আঙুলগুলো ছোঁয়া যাক এবার। সুষুপ্তি আমায় অনেক ঘোরলগ্ন উপহার দেয়।দিয়ে যায় সলতে। বোকা মতো ভাঙা প্রদীপও জ্বলতে থাকে, বরফনীল আমার শ্বশানে। গল্পগুলো জমাটরক্ত হয়ে দেয়ালে যে দেয়ালের মাতামহীরা তাদের কপালে প্রেমধূলি ছোঁয়াতে ব্যর্থ হয়েছেন। অঘোরনিদ্রা। অরজাবক্ষে। ৩. সে কখনো নাচতে চাইতো বৃদ্ধবটের ঝুরিগুলো কোমরে ঝুলিয়ে, মায়াবিরল তার প্রথমাংশ পুর্নজন্ম নেয়া ফিনিক্সের দ্বিধাহীন ডানা। নিবারনের ধূসরকঠিণ স্রোতের মুখে নিজের প্রাণ-মনকে স্থির দেখতে পেয়ছিলো মীরাবাঈ হ্যাঁ, সেই মধ্যতিলকের কথা বলছি। ”আর কতো” এটি হচ্ছে পৃথিবীর সকল বিষে জর্জরিত দ্বিপদীর প্রশ্ব। ধীরলয়ে একাকী কান্নার দু:খে শেষাংশ বিদায় নেয়। চিরবিদায়।