Posts

ফরাসি দার্শনিক রঁলা বার্তের অবিস্মরণীয় সৃষ্টি-রচয়িতার মৃত্যু(পিডিএফ লিংক)

 ফরাসি দার্শনিক রঁলা বার্তের সবচেয়ে সাড়া জাগানো বইটির অনুবাদ(জি এইচ হাবীব অনুদৃত) আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। দর্শনের এই ছোট কলেবরের বইটি বারবার পড়ার দাবি রাখে। আর বার বার পড়েও আত্মস্থ করাও সম্ভব নাও হতে পারে(যে দৃষ্টিকোণ থেকে লেখক লিখেছেন তা পুনঃ পুনঃ বিশ্লেষণের দাবী রাখে)।জি এইচ হাবীব এর অনুবাদটি আমার ভালো লেগেছে। ডাউনলোড করে পড়তে পারেন। ফরাসি দার্শনিক রঁলা বার্তের - রচয়িতার মৃত্যু (অনুবাদ -জি এইচ হাবীব)

অনুগল্প-২টি

Image
 ১.একাকী রাস্তাটাকে সাথে নিয়ে হাঁটার ইচ্ছেটা অন্য এক জনবহুল রাস্তায় দৌড়ানোর সময়ই মনে আসে। যদি তখন পথ ভোলার ভঙ্গিতেও হাঁটি,তারপরেও কেউ তাকাবে না।এমনকি মানিব্যাগের দিকেও না(যে মানিব্যাগটা আসলে শূন্য)। বাড়িফেরার রঙ। এলোমেলো ছদ্মবেশ। বাগানের মালির কিশোর ছেলেটির প্রতি তার কামনা ছিলো।কামনা ছিলো আরোও কিছুর উপরে। কিন্তু জানতে হবে কেনো? সবাইকে জানাতে হবে কেনো? .............................................................. ২.আমরা জ্ঞান খুঁজতে বেরিয়েছিলাম।পরস্পরের উদ্দেশ্য যে একই সেটা তিনদিকের বাড়িহুলোতে আগুন লাগার আগ পর্যন্ত অজানা ছিলো। ঠিক লেলিহান শিখা নয়। ঝাপসা।ধোঁয়া ধোঁয়া।পোড়া পোড়া।জ্ঞানসন্ধানের জন্য কেবল শান্তমনে খুঁড়ে যাওয়াই যথেষ্ট। মাটি খোঁড়া? পোড়ামাটি? মাটি,গাছ,গুহা,সাগর সবকিছুর ক্ষেত্রে একই কথা।দুজনে একমনে খুড়েঁ চলেছে।ছোট ছোট আঙুল দিয়ে। একজনের মন শান্ত।অপরজনের সংশয়ী।চারপাশে পোড়াগাছ।পোড়াবন।শান্তজন অবশেষে খুজেঁ পেলো।ডানহাতে উঁচু করে তুলে দেখলো।জ্ঞান।

তিনটি কবিতা

Image
 ১. প্রার্থনার ছদ্মবেশী, কেবল ঘূর্ননশীল শ্বেতপদ্ম নয়। নামগুলো ভুলে গিয়ে তো জড়িয়ে ধরা যায়। প্রিয়নামের মতো নিদ্রালিপি আরে, হাত ফসকে পালিয়েই গেলো যে দিন! ২. সে হচ্ছে নিদ্রিতপক্ষ এসো আঙুলগুলো ছোঁয়া যাক এবার। সুষুপ্তি আমায় অনেক ঘোরলগ্ন উপহার দেয়।দিয়ে যায় সলতে। বোকা মতো ভাঙা প্রদীপও জ্বলতে থাকে,                 বরফনীল আমার শ্বশানে। গল্পগুলো জমাটরক্ত হয়ে দেয়ালে যে দেয়ালের মাতামহীরা তাদের  কপালে প্রেমধূলি ছোঁয়াতে ব্যর্থ হয়েছেন। অঘোরনিদ্রা। অরজাবক্ষে। ৩. সে কখনো নাচতে চাইতো বৃদ্ধবটের ঝুরিগুলো কোমরে ঝুলিয়ে, মায়াবিরল তার প্রথমাংশ পুর্নজন্ম নেয়া ফিনিক্সের দ্বিধাহীন ডানা। নিবারনের ধূসরকঠিণ স্রোতের মুখে নিজের প্রাণ-মনকে স্থির দেখতে পেয়ছিলো মীরাবাঈ হ্যাঁ, সেই মধ্যতিলকের কথা বলছি। ”আর কতো” এটি হচ্ছে পৃথিবীর সকল বিষে জর্জরিত  দ্বিপদীর প্রশ্ব। ধীরলয়ে একাকী কান্নার দু:খে শেষাংশ বিদায় নেয়। চিরবিদায়। 

স্বর্গ তো পৃথিবীই

Image
  ”দ্যা গ্লান্সিং লাইফ ইজ লাইক এ মর্নিং স্টার” একটা গানের শিরোনামই যদি এতোটা মায়াকাড়া হয়, তাহলে পুরোটা গানের লিরিক পড়ে পড়ে নিজের গলায় গুনগুন না তৃললেই নয়।ভাবতে পারেন সে শিল্পী  অথবা শ্রোতা।আসলে দুটোই।প্রকৃতি গলায় সুর দিয়েছে কিন্তু যাওয়া হয়নি কোনো প্রতিষ্ঠানে গুরুর কাছে শিখতে।আকস্মিকভাবে কপালে জুটে যাওয়া একটা সেমিনার ট্রিপের জন্য জিনিসপত্র গোছগাছ করছিলো।দীর্ঘশ্বাস ফেলার জন্যও একটু স্থানের দরকার হয়।একটু সময়ের ।একটু অবকাশের।নিজেকে আজন্ম অতৃপ্তি, সমস্যাজর্জরিত অবস্থানে আবিষ্কার করে এসেছে বলে নয়।মাত্র কিছুদিন হলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে জীবন নিয়ে আর ভাববে না।জিনিসপত্র ব্যাকপ্যাকে গোছানো শেষ।সামান্য জিনিস নিয়েই ভ্রমনে বের হওয়া শ্রেয়।নিজের বোঝা তো শেষমেশ নিজেকেই বইতে হবে।ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে আটটা।কিছু একটা খাবার বানাতে রান্নাঘরে ঢুকলো সে।একমিনিট ভাবার পর প্যান বসালো রেডিমিক্স ভুনা খিচুড়ি বানাতে।শুধু ভুনা খিচুড়িই যথেষ্ট। সাথে কিছু লাগবে না।কতো অদরকারি কাজ করে করে যে মানুষ রান্নাঘরে সময় কাটায়।সে দেয় বড়োজোর এক ঘন্টা।খাওয়া শেষে প্লেট সামনে নিয়ে চেয়ারে বসে রইলো।হাতদুটো বুকের কাছে ভাজঁ করে নিয়ে।দ...